19 September 2016

Important vocabulary of bank examination All 2015



Part 1: The vocabulary of the most important bank recruitment examination in 2015


Important vocabulary of bank examination

ব্যাংক এ আসা শব্দ নিয়ে ডায়লগ
By: Nazmul Hasan
সুজন : কিরে মিসবাহ আবার কি হলো? ” pensive” ভাবে বসে আছিস কেন? আবার কোন ” Arousing” কোন ইস্যু বের হইছে নাকি?
মিসবা : ভাইরে ইস্যু ছাড়া ফেসবুক আছে নাকি? মনে হয় কোন ” Tormentor ” ” ailment ” ছড়ায় যায়।
সুজন: হ্যা কিছু ভাল্লাগেনা ” callous” থাকতে থাকতেও আর ভাল্লাগেনা মুক্তিযোদ্ধাদের ” revere” করতে তো কারো মনে কোন ” ambivalence ” থাকার কথা না কিন্তু তাদের নাতি নাতনি পর্যন্ত সুবিধা দিতে গিয়ে যেভাবে সাধারন মানুষের জন্য চাকরির ” Dearth” সৃষ্টি হচ্ছে সেটা ” Chaotic” অবস্থা বানাচ্ছে।
মিসবা: হ্যা আজকাল ” Counterfeit ” সার্টিফিকেট এর তো অভাব নাই, সত্যিকারের মেধা ” thrive” হচ্ছেনা তাদের কে সু্যোগ পাবার আগেই ” dispelling” হচ্ছে। কিন্তু কেউ তো ছেড়ে দেবার না ” Tenacious ” সব
সুজন: আরে যত আস্ফালন ফেসবুকে কোটা ” rescind ” করা দুরের কথা ” mitigation ” ও করা হবেনা। কিছু ” Quixotic ” লোকের গালাগালি ই সার


মিসবা: আরে কেউ কেউ “Adulation” করে আবার কেউ ” impudence ” দেখায় আসলে এভাবে ” sporadic ” ভাবে এদিক ওদিক উল্টাপাল্টা না বকে আমাদের নিজেদের দ্বায়িত্ব ” verbatim ‘ ভানে পালন করতে হবে।
সুজন: আসলে যারা সম্মান পাবার যোগ্য তাদের সম্মান দিতেই হবে এটা কখনো” Contingent ” না আর তাদের সম্মান ” preserve ” করা আমাদের দ্বায়িত্ব


মিসবা :হ্যা এখন সবাইকে ” humble ” হতে হবে আর একটা ” Congenial” পরিবেশ করে নিজেদের দাবী আদায় করতে হবে।
সুজন: হা কারো অধিকার ” Usurp” করা ” Discordant ” এতে ” Insouciance ” এর অবকাশ নাই
এবার শব্দ গুলোর অর্থ দেখি

26 June 2016

ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের এক্সিট - ই-ইউ তে আর থাকা হচ্ছে না ব্রিটিশদের।

লেখক ঃ অপ্রস্তুত লেনিন
ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের এক্সিট বা বেরিয়ে যাওয়াকে বলা হচ্ছে ব্রেক্সিট। ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার বিপক্ষে যারা ভোট দিয়েছে তারা হচ্ছে “লিভ গ্রুপ”। আর যারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষে ভোট দিয়েছে তারা হচ্ছে “রিমেইন গ্রুপ”। লিভ গ্রুপ ৫২% আর রিমেইন গ্রুপ ৪৮% ভোট পায়। যার ফলে ই-ইউ তে আর থাকা হচ্ছে না ব্রিটিশদের।

ব্রেক্সিট ইজ ডান! হোয়াট’স নেক্সট? নেক্সিট! ফ্রেক্সিট!!
নেক্সিট মানে নেদারল্যান্ডের ই-ইউ এক্সিট। ফ্রেক্সিট মানে ফ্রান্সের ই-ইউ এক্সিট। ব্রিটেনের পথ ধরে নেদারল্যান্ড, ফ্রান্সও একই পথে হাঁটার সম্ভাবনা প্রবল। উত্তপ্ত ইউরোপ। ১৯৮৯ সালে বার্লিন দেয়াল পতনের পর দুই জার্মানির একত্রীকরণের মাধ্যমে স্নায়ুযুদ্ধের অবসান হয়, তার তিন বছর পরেই জন্ম লাভ করে ই-ইউ, যার পূর্ব নাম ছিল ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিশন। আর ইউরোপীয় অর্থনৈতিক কমিশনের পূর্ব নাম ছিল “ইউরোপীয় ইস্পাত কয়লা গোষ্ঠী”!

22 March 2016

গনিতকে যারা জম দূতের মত ভয় পান। তাদের জন্য এই পোষ্ট, পড়ুন কাজে আসবে

#‎বিসিএস_ম্যাথ_নিয়ে‬,,,,,,,
‪#‎লিখেছেন‬‪#‎শেষ_কক্ষপথের‬‪#‎প্রোটন‬ ] [ ম্যাথ- ম , য , আ , থ নিয়ে আলোচনা ] ——————————————————————-

ম্যাথের নিয়ে চিন্তিত?
ম্যাথকে জম দূতের মত ভয় পান?
৫_৬ বছর ম্যাথ থেকে দূরে ছিলেন?
ম্যাথ নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার উত্তর আজকের পোস্ট। আশা করি আপনার কাজে দিবে।
——————————————————————-
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আজকের চাকরীর বাজারে যুদ্ধ করতে হলে কি কি দরকার জানেন তো ? তা কি আছে আপনার সংগ্রহে ??
হা, আপনাকের বলছি —–
 *             একে ৪৭ রাইফেল লাগবে ( এটা পেপারের জ্ঞান)
**           যুদ্ধ বিমান লাগবে ( সাধারণ জ্ঞান)
******  বিশাল সৈন্যদল লাগবে ( এটা ইংরেজির জ্ঞান)
*****    মিশাইল লাগবে ( এটা বাংলার জ্ঞান)
****** পারমানবিক বোমা লাগবে ( এটা ম্যাথে জ্ঞান )
——ইত্যাদি
—————————————————————–
বুঝতেই পারছেন পারমানবিক বোমা এবং সৈন্যদল হলেই——আপনার চাকরী নিশ্চিত ।
সব আছে, পারমানবিক বোমা নেই, পরাজয় নিশ্চিত। চাকরী আপনার হবে না। লজ্জাজনক ভাবে ২য় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের মত হারতে হবে। শুধু পারমানবিক বোমা থাকলে কি হবে? সৈন্যদল দরকার _ বিমান দরকার ইত্যাদি।

9 March 2016

বাংলাদেশ ব্যাংক পরীক্ষায় কি ধরণের প্রস্তুতি নিবেন



পরীক্ষার ধাপ :
বাংলাদেশ ব্যাংক সহকারী পরিচালক (জেনারেল) পরীক্ষা ৩ টি ধাপে অনুষ্ঠিত হয়।
১. এমসিকিউ (১০০ নম্বর)
২. লিখিত পরীক্ষা (২০০ নম্বর)
৩. মৌখিক পরীক্ষা (২৫ নম্বর)
নির্বাচন প্রক্রিয়া :
ü এমসিকিউ (১০০ নম্বর) পরীক্ষা উত্তীর্ণ হওয়া পরবর্তী পরীক্ষার যোগ্যতা নিশ্চিত করে। এমসিকিউ পরীক্ষায় প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ কাটা যায়।
ü লিখিত পরীক্ষা (২০০ নম্বর) এর মধ্যে নির্ধারিত নম্বর পেলে মৌখিক পরীক্ষা জন্য যোগ্য বিবেচিত হয়।
ü মৌখিক পরীক্ষা (২৫ নম্বর) এর মধ্যে পাস নম্বর ১৫।
ü মেধাতালিকা নির্ধারণ করা হয় লিখিত পরীক্ষা এবং মৌখিক পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের যোগফলের সম্বন্বয়ে।
এমসিকিউ (১০০ নম্বর)
ü বাংলা ২০ নম্বর
ü ইংরেজী ২০ নম্বর
ü গণিত ৩০ নম্বর
ü সাধারণ জ্ঞান ২০ নম্বর
ü কম্পিউটার ১০ নম্বর
ü বিশ্লেষনী দক্ষতা ১০ নম্বর


2 March 2016

সোনালী ব্যাংকের জন্য যেভাবে প্রস্তুতি নিবেন


মোঃ হামিদ উল্লাহ (পারভেজ)
অফিসার, সোনালী ব্যাংক লিমিটেড
শুরুতেই সবার কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি কারন আপনাদের পরামর্শ দেয়ার মত যোগ্যতা আমার নেই। তবে কিছুদিন আগেই আমি এই পথ দিয়ে এসেছি, পথটি আমার চেনা তাই চেনা পথটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি মাত্র।
সোনালী ব্যাংকে অনেক বড় সার্কুলার হয়েছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যে অন্যান্য সরকারি ব্যাংক গুলোতেও নিয়োগের সার্কুলার হবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ আপনি বছরে অনেক পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ পাবেন। তাই এখনই সময়, নিজেকে প্রস্তুত করুন। নিজের তথা পরিবারের স্বপ্ন পূরন করুন।
এবার মূল কথায় আসি- ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা সাধারণত তিন ধাপে হয়। যথা প্রিলিমিনারি অর্থাৎ MCQ, লিখিত ভাইবা। চাকুরী পাওয়াটা লিখিত আর ভাইবার নাম্বারের উপর নির্ভর করে তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল MCQ কারন MCQ পাস না করলে আপনি লিখিত পরীক্ষার অংশগ্রহণ করতে পারবেননা। তাই কিভাবে MCQ পাস করা যায় সেই ব্যাপারে বিস্তারিত আলোচনা করছি।

1 March 2016

মুদি দোকান থেকে বিশ্বসেরা ধনী -ওয়ারেন বাফেট

ওয়ারেন বাফেটের জন্ম আমেরিকার নেব্রাস্কা অঙ্গরাজ্যের ওমাহাতে ১৯৩০ সালে। তার বাবার নাম হাওয়ার্ড বাফেট ও মায়ের নাম লিলা বাফেট। তার পুরো নাম ওয়ারেন এডওয়ার্ড বাফেট। তিনি তার তিন ভাইয়ের মধ্যে দ্বিতীয়। তার শিক্ষাজীবন শুরু হয় রোজ হিল এলিমেন্টারি স্কুলে। ১৯৪২ সালে বাফেটের বাবা কংগ্রেসে নির্বাচিত হন এবং তারা সপরিবারে ওয়াশিংটন ডিসিতে চলে আসেন। প্রাথমিক শিক্ষা শেষে বাফেট অ্যালিস ডিল জুনিয়র হাই স্কুলে ভর্তি হন এবং উড্রো উইলসন হাই স্কুল থেকে পাস করেন।



উপার্জনের আকাক্সক্ষা শৈশবেই ঃ
অর্থ উপার্জন এবং সংগ্রহের প্রতি বাফেটের দুর্নিবার আকাক্সক্ষার পরিচয় পাওয়া গিয়েছিল শৈশবেই। ছোট থেকেই টাকা পয়সা রোজগারের চেষ্টা চালাতেন তিনি। ছোটবেলায় অল্প কিছুদিন বাফেট তার দাদার মুদি দোকানে কাজ করেছিলেন। শুধু তাই নয়- স্কুলে থাকাকালে বাফেট পত্রিকা, কোকাকোলা ইত্যাদি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করেন। শৈশবেই শেয়ার বাজার বিনিয়োগে আগ্রহ জš§ায় বাফেটের। দশ বছর বয়সে বাফেট নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ দেখার জন্য নিউ ইয়র্ক শহরে আসেন। তার জীবনের প্রথম তিনটি শেয়ার কেনেন ১১ বছর বয়সে। হাই স্কুলে থাকাকালে তিনি তার বাবার কিছু সম্পত্তি বিনিয়োগ করেন এবং একটি খামার কেনেন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ১৯৪৩ সালে তিনি আয়কর রিটার্ন জমা দেন। সেখানে তিনি নিজেকে সংবাদপত্র বিলিকারী হিসেবে পরিচয় দেন।